• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে চিকিৎসকের মাথা ফাটানোর অভিযোগ

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। বগুড়ায় আমিন আল মেহেদী নামের এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আকিক মাহমুদ সৈকত (৩৫) নামের চিকিৎসকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বগুড়া শহরের নিশিন্দারা পাইকপড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আকিক মাহমুদ সৈকত (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। আমিন আল মেহেদী বগুড়া পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বগুড়া শহর যুবলীগের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আল মেহেদী।

সৈকতের মামা মোজাহিদুল ইসলাম সিজু বলেন, ‘সৈকত ছুটিতে এসে বাড়ি নির্মাণকাজের তদারকি করছিলেন। নির্মাণকাজে ইট ও বালু সরবরাহ করতে চেয়েছিলেন যুবলীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিল মেহেদী; কিন্তু সৈকত তাঁর কাছ থেকে ইট-বালু নিতে চাননি। আজ বিকেলে সৈকতের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কাউন্সিলর মেহেদী তাঁর কিছু সহযোগীকে নিয়ে আমার ভাগনেকে মারধর করছেন। এ সময় আমি উদ্ধার করতে গেলে আমাকেও মারধর করা হয়।’

মোজাহিদুল ইসলাম সিজু আরও বলেন, ‘মেহেদী ইট দিয়ে ভাগনের মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।’

এ নিয়ে জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলর আমিন আল মেহেদী বলেন, ‘প্রতিবেশী মতিন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে সীমানা নিয়ে চিকিৎসকের বিরোধ চলছিল। বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আমি একাধিকবার বৈঠক করেও সমাধান করা যায়নি। আজ বিকেলে নির্মাণকাজ করা নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ হচ্ছে শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই। প্রতিবেশীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে সৈকত পড়ে গিয়ে ইটের খোয়ার আঘাতে মাথা ফেটে যায়।’
আমিন আল মেহেদী আরও বলেন, ‘সৈকতের সঙ্গে ইট-বালু ব্যবসার কোনো সম্পর্ক নেই আমার।’

বগুড়ার উপশহর পুলিশ  ফাঁড়ির  ইনচার্জ সুজন মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে পাইনি। সৈকতের সঙ্গে প্রতিবেশীর সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সৈকতের পরিবারের লোকজন মৌখিকভাবে অভিযোগ করে বলেছেন, কাউন্সিলর মেহেদী নিজেই ইট দিয়ে আঘাত করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ